নিজস্ব সংবাদদাতা , পুরুলিয়া
৩০ আগস্ট , ২০২০

দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যখন ৩৫ লক্ষ পেরিয়ে গেছে , তখন সেই আতঙ্ককেও ছাপিয়ে গেল “ভুখা পেটের জন্য” ভিন রাজ্যে কাজে যাওয়ার তাগিদ। ঘটনা পুরুলিয়া-২ নম্বর ব্লকের। এই ব্লকের একাধিক গ্রাম থেকে রবিবার বাসে করে প্রায় জনা ২৫ তরুণ কাজ করতে পাড়ি দিলেন তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে। জানা গেছে এঁদের মধ্যে অধিকাংশই সেখানে কাজ করতেন। মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার দেশে লকডাউন ঘোষণা করলে তাঁরা ফিরে আসেন পুরুলিয়ায় নিজেদের বাড়িতে। কিন্ত লকডাউন পরিস্থিতিতে জোটেনি কোন কাজ। বাড়িতে শুরু হয়েছে চরম অভাব অনটন। এরই মধ্যে শ্রমিক সরবরাহকারী বেসরকারি সংস্থার তামিলনাড়ুতে কাজের ডাককে ছুঁড়ে ফেলতে পারেননি কেউ। তাই দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের রেকর্ড পরিসংখ্যানের আতঙ্কও এদের আটকাতে পারেনি কাজের তাগিদে দক্ষিণে পাড়ি দেওয়া থেকে।

পাড়ি দেওয়া শ্রমিক যুধিষ্ঠির মাহাত, দীনেশ মাহাত, মহাদেব মাহাতরা জানিয়েছেন, “বাড়ি থেকে প্রথমে আপত্তি করলেও বর্তমানে পারিবারিক অনটনের দিকটাও বুঝতে পারছেন পরিজনরা। তাই শেষ পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।” এদের কথায়, “প্রায় সাড়ে চারমাস তো দেখলাম, এখানে কোন কাজ পেলাম না। এখন ভুখা পেটে কতদিন থাতবো?”

এদিকে এই ঘটনায় অসন্তুষ্ট ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, ” পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দল বিস্তর তরজা করেছে নিজেদের মধ্যে, কিন্ত শ্রমিকদের কাজ দেওয়ার যে আসল কাজ, সেটাই করল না কেউ। “

দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণের গড় হিসেব যখন ৭৫ হাজার, তখন সেই আতঙ্ককেও ছাপিয়ে গেল “ভুখা পেটের জন্য” ভিন রাজ্যে কাজে যাওয়ার তাগিদ। ঘটনা পুরুলিয়া-২ নম্বর ব্লকের। এই ব্লকের একাধিক গ্রাম থেকে রবিবার বাসে করে প্রায় জনা ২৫ তরুণ কাজ করতে পাড়ি দিলেন তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে। জানা গেছে এঁদের মধ্যে অধিকাংশই সেখানে কাজ করতেন। মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার দেশে লকডাউন ঘোষণা করলে তাঁরা ফিরে আসেন পুরুলিয়ায় নিজেদের বাড়িতে। কিন্ত লকডাউন পরিস্থিতিতে জোটেনি কোন কাজ। বাড়িতে শুরু হয়েছে চরম অভাব অনটন। এরই মধ্যে শ্রমিক সরবরাহকারী বেসরকারি সংস্থার তামিলনাড়ুতে কাজের ডাককে ছুঁড়ে ফেলতে পারেননি কেউ। তাই দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের রেকর্ড পরিসংখ্যানের আতঙ্কও এদের আটকাতে পারেনি কাজের তাগিদে দক্ষিণে পাড়ি দেওয়া থেকে।

পাড়ি দেওয়া শ্রমিক যুধিষ্ঠির মাহাত, দীনেশ মাহাত, মহাদেব মাহাতরা জানিয়েছেন, “বাড়ি থেকে প্রথমে আপত্তি করলেও বর্তমানে পারিবারিক অনটনের দিকটাও বুঝতে পারছেন পরিজনরা। তাই শেষ পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।” এদের কথায়, “প্রায় সাড়ে চারমাস তো দেখলাম, এখানে কোন কাজ পেলাম না। এখন ভুখা পেটে কতদিন থাতবো?”

এদিকে এই ঘটনায় অসন্তুষ্ট ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, ” পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দল বিস্তর তরজা করেছে নিজেদের মধ্যে, কিন্ত শ্রমিকদের কাজ দেওয়ার যে আসল কাজ, সেটাই করল না কেউ। “

এদিকে এই ঘটনায় অসন্তুষ্ট ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, ” পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দল বিস্তর তরজা করেছে নিজেদের মধ্যে, কিন্ত শ্রমিকদের কাজ দেওয়ার যে আসল কাজ, সেটাই করল না কেউ। “

শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page