নিজস্ব সংবাদদাতা , বলরামপুর
১ সেপ্টেম্বর , ২০২০

পদত্যাগ করা নেতাকেই অবশেষে দলের সভাপতির দায়িত্বভার তুলে দিতে বাধ্য হল জেলা বিজেপি। দীর্ঘদিন আগে বলরামপুর জেডপি ১১ মন্ডল সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন অশ্বিনী সিং সদার। প্রথমে বিকল্পের খোঁজ করেও পরে সেই নেতাকেই পদে বহাল রেখে কার্যত জেলা বিজেপি পিছু হাঁটল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

প্রসঙ্গত, অশ্বিনীবাবুসম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতিকে। তাঁর পদত্যাগপত্র কার্যত রেখে নেওয়ার’ পর বিকল্পের খোঁজও শুরু হয়েছিল বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। দলের মধ্যে গুঞ্জন ছিল শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখালেও আসলে গােষ্ঠীদ্বন্দ্বের চাপেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন বলরামপুরে ওই আদিবাসীমুখ। অন্যদিকে বলরামপুর থেকেই নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য গােপীনাথ গােস্বামীকেও দল কার্যত সংগঠনে ব্রাত্য করে রেখেছে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে , বলরামপুরের সংগঠনের স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব দেওয়াকে নিয়েই শূন্যতা’তৈরী হয়েছিল বলে দলীয় সূত্রে খবর। সেই সঙ্গে আদিবাসী নেতাকে গুরুত্ব না দেওয়াকে কেন্দ্র করেও আদিবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল বলেই দলের একাংশ মনে করছে। পরিস্থিতি আঁচ করেই অশ্বিনীবাবুকেই পদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা বিজেপি। দীর্ঘদিন পর অশ্বিনীবাবুর সঙ্গে সােশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পােষ্ট করে তাঁকে দক্ষ সংগঠকের তকমাও দেন বিজেপির পুরুলিয়া জেলার সাধারণ সম্পাদক বিবেক রাঙ্গা। তিনি বলেন, অশ্বিনীবাবু নিজের শারীরিক অসুস্থতার জন্য পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। তাঁর পদত্যাগ পত্র গৃহীত হয়নি। অশ্বিনীবাবুর সঙ্গেই বলরামপুরের কর্মীরা রয়েছেন। তাঁকে একদিন বা এক ঘন্টার জন্যও পদ থেকে সরানাে হয়নি। অশ্বিনীবাবু দলের সম্পদ। তিনি কোনাে সময় অসুস্থ থাকলে তাঁর টিম কাজ করবে। এ বিষয়ে অশ্বিনীবাবু বলেন, ‘ দল যখন যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা মেনে নিয়েছি। সংগঠনের কাজেই যুক্ত ছিলাম। পদে বহাল থাকার কথা জানতে পেরে উৎসাহ আরো বাড়লো’।

শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page