নিজস্ব সংবাদদাতা , কেন্দা
৮ সেপ্টেম্বর , ২০২০
পুরুলিয়া-মানবাজার রাস্তার উপর টাঁড়া মােড় থেকে পুড়িয়ারা গ্রাম পর্যন্ত ১০-১২ কিমি রাস্তা চরম বেহাল। স্থানীয়দের দাবি, “এই রাস্তার বেহালদশা বাম ট্রাডিশন অক্ষুন্ন রেখেছে”। রাস্তার উপর বড়-ছােট-মাঝারি নানান আকৃতির গর্ত। বর্ষায় সেগুলি ডােবার আকার নিয়েছে, অভিযােগ স্থানীয়দের। স্থানীয়রা বলছেন, “শীতকাল থেকে গ্রীষ্মের শুরু, এ সময় রাস্তায় চলাচল করা গেলেও বর্ষা পড়লেইরাস্তার গর্তগুলি ডােবার আকার নেয়। চরম অসুবিধেয় পড়েন পথচারীরা বিশেষ করে দু চাকার যাত্রীরা। মূলতঃ সিদপুর, মাতমডি, কুড়চিডি, প্রতাপপুর সহ প্রায় আশেপাশের ১৫টি গ্রামের মানুষ এই রাস্তাটি ব্যবহার করেন। সিদপুর ও প্রতাপুরের কাছেই রাস্তাসবচেয়ে বেহাল। প্রতাপুর থেকে পুড়িয়ারা, ২ কিমি রাস্তাটি পিচ হলেও বছর ঘুরতেই রাস্তার পিচ উঠতে শুরু করেছে, বলছেন স্থানীয়রা। রাস্তার দু প্রান্তে দুটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গােবিন্দপুর ও বদলডি। মাঝখানে মাতকুমডি মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র। আশেপাশের গ্রামের পড়ুয়াদের নিত্য যাতায়াত।
শিক্ষক শিক্ষিকাদের যাতায়াত পুরুলিয়া থেকে। তাছাড়া যাত্রী বােঝাই বাস না চললেও পুরুলিয়া থেকে চট জলদি যাতায়াত করতে সাইকেল-মােটরসাইকেলে মানুষের যাতায়াত অহরহ। অন্যথায় বদলডির শিক্ষক-শিক্ষিকাদের টোকরিয়া পেরিয়ে অনেকটা ঘুরপথ ধরতে হয়, বলছেন তাঁরাই। তাছাড়া চাকোলতােড় স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও সময়ে সময়ে আসতে হয় রােগীদের। এমনকি পুরুলিয়া কম সময়ে পৌঁছতে কামতা, ডাকাকেন্দু,সিন্দরি,কুলার মানুষজনও ব্যবহার করেন এই রাস্তা। স্থানীয়দের মধ্যে রবিমাহাত, কালিপদ মাহাত, সীতারাম পরামাণিকদের দাবি “দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরে এই রাস্তার সংস্কার হয়নি”। স্থানীয়রা বলছেন, এ সময় লকডাউনের কারণে বিদ্যালয়গুলি বন্ধ। না হলে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়াদের এই রাস্তায় চরম বিপাকে পড়তে হত।
শেয়ার করুন