নিজস্ব সংবাদদাতা , পুরুলিয়া
১৫ সেপ্টেম্বর , ২০২০
তৃণমূলের নতুন পুরুলিয়া শহর কমিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দলের অন্দরেই। ঘােষণার আগেই আলােচনা শুরু হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ঘােষণার পর সেই আলােচনাই দ্বিগুণ হয়েছে। কেউ বলছেন লবি ভাঙার ছকে বল খেলে দিয়েছেন তৃণমূলের বর্তমান নেতৃত্বরা।ফলে সংঘাতের সম্ভাবনাটা নেই বললেই চলে। অন্যদিকে আবার কেউ কেউ জেলা নেতৃত্বকে ইতিমধ্যেই প্রস্তাব দিয়ে দিয়েছেন, “শহর কমিটির মুখ্য কর্মসূচিগুলি যেন বৈদ্যনাথ মণ্ডলের তত্ত্বাবধানেই থাকে”।
সব মিলিয়ে বিষয়টি যে জেলা নেতৃত্বের কাছে সুখকর হয়নি, তেমনটাই মত দলেরই অনেকের। দলের অন্দরের খবর সভাপতি, সহ সভাপতি ও সম্পাদক নিয়ে তৃণমূল নতুন যে পুরুলিয়া শহর কমিটি গঠন করেছে, সেই ছ’জনের কমিটির চারজন বৈদ্যনাথ মণ্ডলের লবির লােক বলে পরিচিত জেলার রাজনৈতিক মহলে। যদিও এটা মানছেন না কোনাে পক্ষই। তাঁদের দাবি, “সবাই দলের লােক”। দলের একাংশ অবশ্য বলছেন। অন্যরকম। তাঁদের মতে, বর্তমান নেতৃত্ব লবি ভাঙার ছকে খেলে বাজিমাত করেছেন।
তবে ভিন্ন মতও আছে। কেউ কেউ শহরের প্রত্যেক ওয়ার্ডে মানুষের উপর প্রভাবের ক্ষেত্রে বৈদ্যনাথকে অনেকটা এগিয়ে রাখছেন শহর কমিটির নব নির্বাচিত সভাপতি বিভাস রঞ্জন দাসের চেয়ে। তাঁদের মতে, “শহরের ২৩টি ওয়ার্ডেই বৈদ্যনাথের প্রভাব রয়েছে। কারাে কারাে মতে “শুধুশহরের মানুষই নন, শহর কমিটির নেতারাও বৈদ্যনাথ মণ্ডলের কথার গুরুত্ব দেন। এমনও বলেছেন তাঁরা। সম্প্রতি শহরের ট্যাক্সিস্ট্যান্ডে দলের শহর কমিটির কেন্দ্র বিরােধী অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচীর উদাহরণ টেনে বৈদ্যনাথ পন্থীদের আলােচনা, “পদে থাকছেন না সেটা আগে জানাজানি হওয়ার পরেও যেভাবে কর্মসূচীটি বৈদ্যনাথ মণ্ডল করে দেখালেন তার ইঙ্গিত বর্তমান নেতৃত্বদের বােঝা উচিত ছিল”। কারাে কারাে দাবি, “যদি শুদ্ধিকরণের নামেই বৈদ্যনাথ মন্ডলকে সরানাে হল পদ থেকে, তবে জেলা কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের পদ দিয়ে কোন শুদ্ধিকরণটা করলেন নেতৃত্ব?”
শেয়ার করুন