নিজস্ব সংবাদদাতা , পুরুলিয়া :
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
শনিবার জয়পুরে আরবিবি হাইস্কুল মাঠে মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন,প্রথমবার চা-ওয়ালা সেজে ভোটে নিয়েছেন। দ্বিতীয়বার চৌকিদার সেজে সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়েছেন। এবার পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আগে রবীন্দ্রনাথ সেজে ভোট চাইছে এসেছেন। তবে বাংলার সাধারণ মানুষ বহুরূপীর আসল রূপ চিনে ফেলেছেন। মলয়বাবু আরও বলেন, করোনার সময় একবার বলছে থালা বাজাও। একবার সবাইকে ঘন্টা বাজাতে বলল। আর একবার বলল সন্ধ্যায় প্রদীপ ও আলো জ্বালাতে। এসব করে তো আর করোনা দূর হয়নি। তাই বিজেপি কর্মীরা গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে ভোট চাইতে এলে তাঁদেরও ঘন্টা বাজিয়ে বিদায় করবেন বাংলার মানুষ।
করোনার পরিস্থিতি হোক কিংবা আমফানের দুর্যোগ সবেতেই সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাড়াতে পাড়াতে চাল সহ অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছেন তৃণমূল কর্মীরা। এদিন মলয়বাবু আরও বলেন,ভোটের আগে লুটেরা বারবার আসছে। বাংলার ভোট লুঠ করতে আসছে লুটেরারা। কিন্তু বাংলার ভোট লুঠ করা সোজা নয়। বিজেপি বারবার প্রচার করছে আয়ুস্মান ভারতের কথা। আয়ুস্মান ভারতে ১৯ শতাংশ মানুষ পরিষেবা পাবেন। আর স্বাস্থ্যসাথীতে ১০০ শতাংশ মানুষ পরিষেবা পাবেন। ১৯ শতাংশের প্রকল্প ভালো হবে নাকি ১০০ শতাংশের প্রকল্প তা সাধারণ মানুষকে বুঝতে পেরেছেন।
এদিনের অনুষ্ঠানে শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ণ মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাত,জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়,জেলা তৃণমূলের সভাপতি গুরুপদ টুডু,জয়পুরের তৃণমূল বিধায়ক শক্তিপদ মাহাত, জেলা যুব সভাপতি সুশান্ত মাহাত প্রমুখ।
