নিজস্ব সংবাদদাতা, মানবাজার, ৩ নভেম্বর ২০২১ঃ
শুরু হয়ে গেছে মাঠে ধান কাটার কাজ,ঘরে মাঠের ধান তুলতে শুরু করেছেন চাষিরা এই সময়েই বিশেষত চাষীরা একটি বড় ভুল করে থাকে নিজেদের অজান্তেই, সেটি হল ধান কাটার পর ও ধান ঝাড়াই এরপর ধানের অবশিষ্ট অংশ মাটিতে পুড়িয়ে দেয় এর ফল হয় মারাত্মক যারফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাটি ও মাটির সাথে থাকা জীবদের।
সেই কারনেই আজ পুরুলিয়া জেলা জুড়ে বিভিন্ন ব্লক এলাকায় কৃষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির এর মধ্য দিয়ে পালন করা হলো ফসলের দহন অবশিষ্ট প্রতিরোধ দিবস এবং সাথে একটি ট্যাবেলোর উদ্বোধন করাও হয়। এদিন মানবাজার-১ নং ব্লকের প্রায় ৫০ জন চাষী ও পাথরমহড়া কমিউনিটি হলে এই প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগদান করেন।
কৃষি আধিকারিক অর্ক রায়চৌধুরী বলেন,নাড়া পোড়ানোর ফলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইড বাতাসে মেশে। চাষে উপকারী পোকামাকড়, জীবাণু বা অণুখাদ্য পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। চাষের জন্য জমির উপরিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ছ’ইঞ্চি অংশ আগুন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে,জমির উর্বরতা কমে। যদিও গ্রামের প্রবীণ চাষিদের অনেকেরই দাবি, পোকামাকড় মারতে জমিতে আগুন ধরানোর রীতি চলে আসছে বহু দিন ধরেই,ছাই জমিতে সার হিসেবে কাজ করে।
তবে এবার থেকে তাঁরা এই সরকারী নিয়ম মেনে চলবেন।
আজকের এই প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন মানবাজার -১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ পাত্র, বিশরী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সজ্জিতা বেসরা, আতমার চ্যয়ারমেন বীরেন্দ্রকিশোর মাহাতো সহ কৃষি দপ্তরের আধিকারিকেরা।



