নিজস্ব সংবাদদাতা, মানবাজারঃ
পুরুলিয়া জেলার রুখা মাটিতে হচ্ছে ফুলের চাষ। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। এমই দৃশ্য দেখা গেলো মানবাজার মহকুমার ডাহা গ্রামে। মানবাজার-১ নং ব্লকের অন্তর্ভুক্ত ডাহা গ্রামে কৃষি দপ্তর ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ বিভাগের যৌথ প্রকল্প “মাটির সৃষ্টি”-র আওতায় ৪ কাঠা জমির উপর বিশেষ প্রজাতির গাঁদা ফুলের চাষ করে লাভবান হচ্ছেন ডাহা গ্রামের বাসিন্দা বিল্পব মাহাতো।
মহাত্মা গান্ধী জাতীয় কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত তৈরী হওয়া মাটির সৃষ্টি প্রকল্পের বিশেষ গাছ লাগানো আবাদে কর্ম নিশ্চয়তার গুরুত্ব যেমন বৃদ্ধি হচ্ছে, সেরকমই ন্যাশন্যাল ফুড সিকুরিটি মিশনের আওতায় তৈরী হওয়া বিশেষ জল সঞ্চয় প্রকল্প জলসেচের ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে সাহায্য করছে এই গাঁদা ফুল চাষে। বিশেষত দুই প্রজাতির গাঁদা ফুলের চাষ করা হয়েছে এখানে। এই ফুলের চাহিদা যেমন গোটা জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে, তেমনি আশে পাশের নার্সারী গুলোতেও যথেষ্ট চাহিদা তৈরি হয়েছে।
এবিষয়ে গাঁদা ফুল চাষী বিল্পব মাহাতো বলেন, পুরুলিয়ার বেশির ভাগ জমিই উঁচু-নীচু। ফলে এখানে বন্যা হবার কোনো সম্ভাবনা নেই। সেই কারনে এই চাষের কথা মাথায় আসে। কৃষি দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করি। ৫০০০ গাঁদা ফুলের চারা বর্ষা কালে লাগিয়ে ছিলাম। তারই ফলন হয়েছে। তবে এই ফলনে কোনো রকম রাসায়নিক সার ব্যবহার করেননি বিপ্লব মাহাত। সম্পূর্ণটাই জৈব সার। বিপ্লব মাহাতর কথায়, পুরুলিয়ার মাটিতে যে অর্থকরি ফুলের চাষ হতেই পারে, তা বোঝাই যাচ্ছে।

এবিষয়ে কৃষি আধিকারিক অর্ক রায়চৌধুরী বলেন, এখানে চার ধরনের জমি আছে। তাই এখানে নানা ধরনের ফসল ফলিয়ে লাভবান হতে পারবেন কৃষকরা। তিনি বলেন, মাটির সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় এবং আত্মা প্রকল্পের অর্থানুকূল্যে এই গাঁদা ফুলের চারা দেওয়া হয়েছিল। ফলন খুব ভালো হয়েছে।
শেয়ার করুন