নিজস্ব সংবাদদাতা,পুরুলিয়া, ১৮ জানুয়ারি ২০২২:

পুরুলিয়া পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দা বর্তমানে পুরুলিয়া পুরসভার প্রশাসক নব্যেন্দু মাহালী। ভাইয়ের পরিবর্তে নব্যেন্দুবাবু নিজে এবার ওই ওয়ার্ডে লড়াই করতে চান। অন্যদিকে ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা পুরুলিয়া পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর প্রাক্তন সদস্য কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও নিজের ওয়ার্ডে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় এবং তৃণমূল সূত্রে জানাগিয়েছে, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন কাউন্সিলার কৃষ্ণেন্দু মাহালীকে এবার পুনরায় আর প্রার্থী করবে না তা প্রায় নিশ্চিত। কৃষ্ণেন্দুবাবুকে পুনরায় প্রার্থী করার সম্ভাবনা না থাকায় এবার ওই ওয়ার্ড নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশ চাইছেন সম্প্রতি প্রশাসক হিসাবে ভালো কাজের নজির তৈরী করা নব্যেন্দুবাবুকে ওই ওয়ার্ডের প্রার্থী করতে। আবার ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মীদের একাংশ চাইছেন ভাইয়ের ব্যর্থতার পর দাদার পরিবর্তে অন্য কাউকে প্রার্থী করতে। এবিষয়ে নব্যেন্দুবাবু বলেন, ভাই ওই ওয়ার্ডে প্রার্থী হলেও আমি নিজেই ওয়ার্ডের কাজ দেখতাম। সম্প্রতি প্রশাসক হিসাবে গোটা শহরের আমূল পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি স্বচ্ছতার সঙ্গে। আমি ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দল অনুমোদন দিলে অবশ্যই ওই ওয়ার্ডে এবার প্রার্থী হব। তবে সবটানির্ভর করছে দলের সিদ্ধান্তের ওপর। এবিষয়ে ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা কাজল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওয়ার্ডটি সংরক্ষিত নয়। তাই আশা করছি দল এবার আমাকে প্রার্থী করবে। দীর্ঘদিন শহরের যুব সভাপতি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদে থেকে কাজ করেছি। তিনি আরও বলেন, একসময় যাদের সঙ্গে রাজনীতি করতাম তাঁদের অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে চলে গিয়েছেন। কিন্তু আমি দলের সঙ্গ ছাড়িনি। একনিষ্ঠ ভাবে সাধারণ মানুষের কাজ করে চলেছি ওয়ার্ডে। দল টিকিট দেও য়ার আগে অবশ্যই এলাকার মানুষের মতামত জেনেই প্রার্থী করবে। ওপর থেকে কাউকে প্রার্থী হিসাবে চাপিয়ে দেবে না। নব্যেন্দুবাবু দলের বড় নেতা। দল তাঁকে শহরের যেকোনও ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী করতেই পারেন। এতদিন ধরে ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে আমি কাজ করেছি। দল অবশ্যই সেই বিষয়টি বিবেচনা করবে। আর এবারও প্রার্থী না করলে আর কবে আমাদের মতো কর্মীরা প্রার্থী হতে পারবে?

শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page