নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২ঃ
পুঞ্চা থানার পাড়ুই গ্রামের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী মানস মাহাতর খুনের ঘটনায় ধৃত মানবাজারের তিন বিজেপি কর্মীর পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল পুরুলিয়া জেলা আদালত। মানস মাহাতর খুনের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার মানবাজার থানার গোপালনগরের রাণা ওরফে সৌমিত্র ব্যানার্জি এবং ওই থানা এলাকারই জবলা গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ মর্দণ্য ও ভৈরব ওরফে সুন্দর বাউরিকে আজ পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলে পুলিশ। বিচারক ধৃত তিনজনেরই ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাড়ুই গ্রামের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী মানস মাহাতর খুনের ঘটনায় ধৃত তিনজনও বিজেপিরই কর্মী।
অন্যদিকে, মদ্যপান করে বচসা, আর সেই বচসার জেরে মাথার পেছনে ইট দিয়ে আঘাত করে মানস মাহাতকে খুন করা হয়েছে বলে এদিনই একটি সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে নিজের দপ্তরে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানান পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস সেলভা মুরুগান। তিনি বলেন, শনিবার ভোরে মানবাজার থানার খাটচিরি এলাকার একটি ব্রীজের নিচ থেকে বিজেপি কর্মী মানস মাহাতর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের স্ত্রী মানবাজার থানায় খুনের অভিযোগ করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে গোপালনগরের বাসিন্দা রাণা ওরফে সৌমিত্র ব্যানার্জিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে রাণা দোষ স্বীকার করে নেয় বলে এদিন জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। রাণাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত তার আরো দুই সঙ্গীকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একজন বিশ্বজিৎ মর্দণ্য ও অন্যজন ভৈরব ওরফে সুন্দর বাউরি। দুজনই মানবাজার থানার জবলা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ সুপারের দাবি, চারজন বন্ধুর মতই ছিল। বিবরণে জানা গিয়েছে, আগের দিন, অর্থাৎ শুক্রবার রাতে রাণা, মানস, বিশ্বজিৎ এবং ভৈরব এই চারজন গোপালনগর হাইস্কুল মাঠে বসে মদ্যপান করছিল। অতিরিক্ত মদ্যপান করে মূলত রাণা এবং মানসের মধ্যে বচসা শুরু হয়। বচসার জেরে রাণা ইট দিয়ে মানসের মাথার পেছনে জোরে আঘাত করে। আঘাত এতটাই জোরে ছিল যে মানসের সেখানেই মৃত্যু হয়। এরপর পুলিশকে বিপথে চালনা করতে রাণা, বিশ্বজিৎ ও ভৈরব ঘটনাস্থল থেকে মানসের দেহ তুলে খাটচিরি এলাকার ব্রীজের নিচে ফেলে দেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই ঘটনায় তাদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছে বলে এদিন জানান পুলিশ সুপার। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, মূলত রাণাই মানসকে ইট দিয়ে আঘাত করে খুন করেছে। বাকি দুই অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ ও ভৈরব ঘটনাস্থল থেকে দেহ সরাতে তাকে সাহায্য করে বলে এদিন পুলিশের পক্ষে জানানো হয়। পুলিশ সুপার এস সেলভা মুরুগান জানান, তিনজন অভিযুক্তই বিজেপি দলের কর্মী।
অতিরিক্ত মদ্যপান করে বচসা। আর সেই বচসার জেরে মাথার পেছনে ইট দিয়ে আঘাত করে পুঞ্চা থানার পাড়ুই গ্রামের বাসিন্দা বিজেপি কর্মী মানস মাহাকে খুন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নিজের দপ্তরে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানান পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস সেলভা মুরুগান। তিনি বলেন, শনিবার ভোরে মানবাজার থানার খাটচিরি এলাকার একটি ব্রীজের নিচ থেকে বিজেপি কর্মী মানস মাহাতর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের স্ত্রী মানবাজার থানায় খুনের অভিযোগ করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে গোপালনগরের বাসিন্দা রাণা ওরফে সৌমিত্র ব্যানার্জিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে রাণা দোষ স্বীকার করে নেয় বলে এদিন জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। রাণাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত তার আরো দুই সঙ্গীকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একজন বিশ্বজিৎ মর্দণ্য ও অন্যজন ভৈরব ওরফে সুন্দর বাউরি। দুজনই মানবাজার থানার জবলা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ সুপারের দাবি, চারজন বন্ধুর মতই ছিল। বিবরণে জানা গিয়েছে, আগের দিন, অর্থাৎ শুক্রবার রাতে রাণা, মানস, বিশ্বজিৎ এবং ভৈরব এই চারজন গোপালনগর হাইস্কুল মাঠে বসে মদ্যপান করছিল। অতিরিক্ত মদ্যপান করে মূলত রাণা এবং মানসের মধ্যে বচসা শুরু হয়। বচসার জেরে রাণা ইট দিয়ে মানসের মাথার পেছনে জোরে আঘাত করে। আঘাত এতটাই জোরে ছিল যে মানসের সেখানেই মৃত্যু হয়। এরপর পুলিশকে বিপথে চালনা করতে রাণা, বিশ্বজিৎ ও ভৈরব ঘটনাস্থল থেকে মানসের দেহ তুলে খাটচিরি এলাকার ব্রীজের নিচে ফেলে দেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই ঘটনায় তাদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছে বলে এদিন জানান পুলিশ সুপার। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, মূলত রাণাই মানসকে ইট দিয়ে আঘাত করে খুন করেছে। বাকি দুই অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ ও ভৈরব ঘটনাস্থল থেকে দেহ সরাতে তাকে সাহায্য করে বলে এদিন পুলিশের পক্ষে জানানো হয়। পুলিশ সুপার এস সেলভা মুরুগান জানান, তিনজন অভিযুক্তই বিজেপি দলের কর্মী। আজ, মঙ্গলবারই তিন অভিযুক্তকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।




