নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝালদা ও বাঘমুন্ডি, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০২২ঃ
প্রায় দুমাস পর আবার দেখা মিলেছে ২৮ থেকে ৩০ টি হাতির একটি দলের। অবশ্য এখনো ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল পেরিয়ে ঢুকে পড়েনি সে রাজ্যের সীমানা বরাবর বাঘমুন্ডি ও ঝালদার বনাঞ্চল ঘেঁষা গ্রাম গুলিতে। মাঝে কেবল সুবর্নরেখার জল। ফলে যেকোন সময়ে ঢুকে পড়তে পারে ওই দাঁতালের দলটি। তাই আজ সকাল থেকেই বাঘমুন্ডি ও ঝালদা বনদপ্তরের কর্মী ও হুলা পার্টি যৌথভাবে লাগাতার পাহারায় নেমেছে সুইসা-তুনতুড়ি অঞ্চলের সীমান্তবর্তী ও ঝালদা বনাঞ্চল সংলগ্ন গ্রাম গুলিতে। উদ্দেশ্য হাতির দল যেন নদী পেরিয়ে ঢুকে পড়তে না পারে।
প্রসঙ্গত, সুবর্নরেখার ঠিক ওপারে একেবারে নদী ঘেঁষা ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী বনাঞ্চল ঘেরা মারাংকিরী ও মধুপুর গ্রামের সংলগ্ন জঙ্গলে প্রায় ২৮ থেকে ৩০ টি হাতির একটি দলের দেখা মিলেছে। বনদপ্তরের অনুমান স্বাভাবিক গতিতে বাঘমুন্ডি ব্লকের সুইসা-তুনতুড়ি অঞ্চলের মারচা, সারিডি, ডাংডুং, শালডাবরা, রাঙামাটি এবং ঝালদা বনাঞ্চল সংলগ্ন গ্রাম ভাকুয়াডি, ভুষুডি, ত্রিবেনী ঘাটের দিকে যেকোন সময় ওই দাঁতালের দলটি ঢুকে পড়তে পারে। কেননা মাঝে কেবল সুবর্নরেখা। বনদপ্তরের অনুমান দলটিতে যে সংখ্যায় হাতি রয়েছে, তাতে এসব এলাকায় ঢুকে তান্ডব চালালে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। যে কারণে আজ, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ওইসব সীমান্তবর্তী গ্রাম গুলিতে লাগাতার পাহারা শুরু করেছে বাঘমুন্ডি ও ঝালদা বনদপ্তরের কর্মী ও হুলা পার্টির বিশাল একটি দল। একইসঙ্গে ওই সমস্ত এলাকার মানুষকেও সচেতন করতে চালানো হচ্ছে প্রচারও বলে বন বিভাগ সূত্রে খবর। বনদপ্তর জানিয়েছে, নদী পেরিয়ে যাতে হাতির দলটি সীমান্ত বর্তী ওইসব এলাকায় কোনভাবেই ঢুকতে না পারে, তারজন্য সবরকম প্রয়াস চালানো হচ্ছে।

