নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ঃ

আবারো কি পুরুলিয়া পৌর শহরের সাফাই কাজে বন্ধ হতে চলেছে? আজ, বৃহস্পতিবার সকালে যেভাবে হাজিরা দিয়েও সাফাই কাজ করলেন না পুরুলিয়া পৌরসভার অস্থায়ী সাফাই কর্মীরা, তাতে অচিরেই যে তেমন কিছু ঘটতে পারে তেমনই আশঙ্কা এদিন সকালেই দেখা গিয়েছে। এদিন সকালে পুরুলিয়া-বরাকর রাজ্য সড়কের গাড়িখানা স্থিত পৌরসভার সাফাই অফিসে জড়ো হয়ে অস্থায়ী সাফাই কর্মীরা হাজিরা দিলেও সাফাই কাজে কেউই বেরোন নি । এমনকি এদিন পুরুলিয়া শহরে বেরলো না সাফাই গাড়িও। অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের মধ্যে পিন্টু বাউরি, সমর বাউরিরা বলছেন, বিগত ডিসেম্বর (২০২২) মাস থেকে বেতন পাইনি আমরা। তিনমাস চলছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বকেয়া বেতনের দাবিতে টানা কয়েকদিন কর্মবিরতি পালন করেন পুরুলিয়া পৌরসভার অস্থায়ী সাফাই কর্মীরা । পরে খোদ পৌরপ্রধান নবেন্দু মাহালির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। পৌরপ্রধান কর্মীসুলভ আচরণ প্রদর্শন করতেও কড়া বার্তা দেন ধর্মঘটে যাওয়া কর্মীদের উদ্দেশ্যে। অস্থায়ী কর্মী সংগঠনের তরফে সরোজিৎ সামুয়েল বলেন, বারবার আলোচনার পরেও আমাদের বকেয়া বেতন মেটাচ্ছে না পুরুলিয়া পৌরসভা। সরোজিৎ সামুয়েল, অস্থায়ী সাফাই কর্মী রতন বাউরিরা বলেন, তিনমাস চলছে বেতন বকেয়া। প্রতিটি কর্মীকে অন্ততপক্ষে দুমাসের বকেয়া বেতন দিতে হবে। কারন, এতদিন ধরে বেতন না পেয়ে কর্মীদের সাংসারিক আর্থিক পরিস্থিতি চরমে পৌঁচেছে। তাঁদের আরো দাবি, অন্ততপক্ষে দুমাসের বকেয়া বেতন না পেলে আগামীকাল, শুক্রবার থেকে অস্থায়ী সাফাই কর্মীরা কাজে যোগ না দিয়ে ধর্মঘটে সামিল হবেন বলেও এদিন সাফাই কর্মীরা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে এরকম পরিস্থিতিতে আবারো পুরুলিয়া পৌর শহরে সাফাই কাজে অচলাবস্থা আসতে পারে বলে মনে করছেন বিভিন্ন মহলের অভিজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার সন্ধে সাড়ে ৬ টা নাগাদ সরোজিৎ সামুয়েল বলেন, এখনো পর্যন্ত কারোরই বেতনের টাকা ঢোকেনি। তাই আগামীকাল, শুক্রবার থেকে আমরা পূর্ণ ধর্মঘটের দিকেই যাচ্ছি। কোন অস্থায়ী কর্মীই সাফাই কাজে যোগ দেবেন না বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page