নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া, ৯ জানুয়ারি ২০২২ঃ
আজ, বুধবার পুরুলিয়া পৌরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জাতীয় কংগ্রেস দলের হয়ে মনোনয়ন পত্র জমা করলেন পুতুল আনসারি খান। এর আগে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ছিলেন প্রাক্তন পৌর প্রধান, প্রাক্তন পৌর প্রশাসক তথা প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা সামিম দাদ খান। পুতুল আনসারি খান সামিম দাদ খানেরই পুত্রবধূ। এবার ২২ নম্বর ওয়ার্ডটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস সামিম দাদ খানকে দলীয় প্রার্থী করেনি। প্রার্থী করেনি তাঁর ছেলে, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের জেলা সাধারণ সম্পাদক সোহেল দাদ খানকেও। যে কারনে গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দুজনেই তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। পরের দিন তাঁরা যোগ দেন জাতীয় কংগ্রেসে। বুধবার জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা করলেন সোহেল দাদ খানের স্ত্রী পুতুল আনসারি খান।
মনোনয়ন জমা হওয়ার পর সোহেল বাবু জানান, দলীয় (তৃণমূল) জেলা নেতৃত্ব পুরুলিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী চয়নের সিদ্ধান্ত ভুল করেছেন। তিনি বলেন, বিগত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে পুরুলিয়া পৌরসভার ২৩ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০ টি ওয়ার্ডেই শাসক দল তৃণমূল বিজেপির থেকে পিছিয়ে ছিল। একমাত্র ৮,১৫ এবং ২২ নম্বর ওয়ার্ডেই বিপুল ভোটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। সোহেল বাবুর দাবি, কাউন্সিলর হিসেবে তিনি ও তাঁর পিতা সামিম দাদ খান তাঁদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে যেভাবে মানুষের কাজ করেছেন, তারই জন্য ওই ওয়ার্ডগুলিতে তৃণমূল ভাল ফল করেছিল। কিন্তু দল তাঁদের যোগ্য সম্মান না দিয়ে এই দুটি ওয়ার্ডেই ভুল সিদ্ধান্তের বশবর্তী হয়ে অন্য প্রার্থী দিয়েছে। বুধবার পুতুল আনসারির মনোনয়ন জমার পর সেই ক্ষোভ আবারও উগরে দেন। তিনি বলেন, বাবা সামিম দাদ খান ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা করেছেন। তাঁর আরো দাবি, আমরা কোন দলের প্রতিনিধি বা নেতা নই। আমরা প্রকৃত অর্থে জনগণের নেতা। মানুষের পাশে থেকে সারা বছর কাজ করে যাই। ফলে যে প্রতীকেই প্রার্থী হই না কেন, জিতবই।
শেয়ার করুন