নিজস্ব সংবাদদাতা , বান্দোয়ান
১৫ সেপ্টেম্বর , ২০২০
বান্দোয়ান ব্লকের তৃণমূলের সংগঠনের অধিকাংশ পদাধিকারী শুধুমাত্র বান্দোয়ান গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। নতুন ব্লক সভাপতি ও যুব সভাপতি ঘােষণার পর শাসকদলের অন্দরে বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। স্থানীয় ও তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, বান্দোয়ান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ‘খ’ বুথের বাসিন্দা বান্দোয়ানের বিধায়ক রাজীব লােচন সােরেন। বিধায়কের স্ত্রী প্রতিমা সােরেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি এবং তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। অন্যদিকে সদ্য ব্লক সভাপতি ও যুব সভাপতির নাম ঘােষণা করে দল। ব্লক সভাপতি রঘুনাথ মাঝি ওই গ্রাম পঞ্চায়েতেরই মংলা সংসদের বাসিন্দা। নতুন যুব সভাপতি পার্থজিৎ মাহাত বান্দোয়ান ‘ক’ সংসদের বাসিন্দা। তিনিই আবার দলের ছাত্র সংগঠনেরও দায়িত্বে রয়েছেন।
অন্যদিকে দলের মহিলা সংগঠনের দায়িত্বে থাকা তুলু চক্রবর্তী বান্দোয়ান ‘খ’ সংসদের বহরাঘুটু গ্রামের বাসিন্দা। শাসকদলের সংখ্যালঘু সংগঠনের দায়িত্বে থাকা আসপাক আনসারী ও ওই একই সংসদের বাসিন্দা। এসটি, এসসি, ওবিসি সংগঠনের নেতা রবীন্দ্রনাথ হেমব্রম ওই পঞ্চায়েতের শিরীষগগাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতা চিত্তরঞ্জন মাহাতও বান্দোয়ান ‘গ’ সংসদের বাসিন্দা। ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা নিয়ে গঠিত বান্দোয়ান ব্লকের তৃণমূলের অধিকাংশ সংগঠনের নেতারা একটি মাত্র পঞ্চায়েতের বাসিন্দা হওয়ায় অন্যান্য গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে উঠে আসা নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি
হয়েছে।
বান্দোয়ান ব্লকেরই বাসিন্দা তথা সদ্য জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া এক নেতা বলেন, বান্দোয়ান ব্লকে দলের সংগঠনের দায়িত্ব পেতে গেলে কি তবে বান্দোয়ান গ্রাম পঞ্চায়েতেরই বাসিন্দা হতে হবে ? বান্দোয়ান ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি রঘুনাথ মাঝি বলেন, “আগে এ রকম হয়েছিল। তবে গােটা ব্লকের সংগঠন নতুন করে সাজানাে হবে, তাতে কোনও এলাকার নেতা বঞ্চিত হবেন না ”।
শেয়ার করুন