নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ঃ

গ্রাম থেকে কেবলমাত্র ৬০০ মিটার দূরত্বে নদীঘাট থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে যথেচ্ছ বালি। যার কারণে গ্রামের মূল রাস্তা এবং বাইপাস রাস্তা দুটোই ভেঙে চৌচির। ফলে অতি শীঘ্রই নদীঘাট থেকে যথেচ্ছ বালি উত্তোলন বন্ধ করা হোক, এই মর্মে অভিযোগ জানিয়ে পুরুলিয়া-১ ব্লকের অন্তর্গত কাঁটাবেড়া গ্রামের বাসিন্দারা ব্লকের বিডিও, পুরুলিয়ার জেলাশাসক এবং সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানালেন।

প্রসঙ্গত গাড়াফুসরো অঞ্চলের অন্তর্গত কাঁটাবেড়া গ্রাম থেকে মাত্র ছ’শো মিটার দূরত্বে কাসাই নদীঘাট। গ্রামের বাসিন্দা তথা অভিযোগকারি মধুসূদন মাহাত, জগদীশ মাহাত, পরেশ রায় প্রমুখদের অভিযোগ, বিগত দীর্ঘ সময় ধরে গ্রামের সন্নিকটের নদীঘাট থেকে যথেচ্ছ বালি উত্তোলন চলছে। বালি উত্তোলন করে ট্রাক্টরের মাধ্যমে গ্রামের মূল রাস্তা ও বাইপাস রাস্তা দিয়ে চলছে এইসব বালি গাড়িগুলির যাতায়াত। সারাদিনে বহু সংখ্যক বালির গাড়ি যাতায়াত করে। ফলে গ্রাম থেকে গাড়াফুসরো হয়ে বেরোনোর মূল রাস্তা এবং বাইপাস রাস্তা দুটোই ভেঙে গিয়েছে। পরেশ রায়, বিধান মাহাতরা বলছেন, শুধু রাস্তাই নয়, যথেচ্ছ বালি উত্তোলনের কারণে নদীঘাটেরও চরম বেহাল দশা। ফলে অদূর ভবিষ্যতে যা বিপদের সংকেত বলে দাবি পরেশ মাহাতর।

মধুসূদন মাহাত এবং জগদীশ মাহত বলেন, যথেচ্ছ বালি উত্তোলনে অতিষ্ট হয়ে এক সপ্তাহ আগে গ্রামবাসীরা কাঁটাবেড়া গ্রাম ঢোকার মুখে বাঁশের বেড়া দিয়ে বালি উত্তোলন বন্ধ করেন। জগদীশ মাহতর বক্তব্য, কিন্ত এটা তো স্থায়ী সমাধান নয়। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অভিযোগকারি তথা গ্রামের বাসিন্দা মধুসূদন মাহাত বলেন, বিষয়টির স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে গ্রামবাসীরা তাই বুধবার ব্লকের বিডিও, পুরুলিয়ার জেলাশাসককে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে হস্তক্ষেপের আবেদন করেছেন। মধুসূদন বাবু আরো বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বারবার যথেচ্ছ বালি পাচার বন্ধ করার বিষয়ে বলেছেন। যেকারনে বিষয়টি তাঁর নজরে আনতে নবান্নের ঠিকানায় মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে ডাক মারফত এবং মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের ই-মেইল মারফত অভিযোগের প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে বলে দাবি মধুসূদন মাহাতর।

শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page