নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩ঃ

মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা বিষয়ে শনিবার শহরের রবীন্দ্রভবনে একটি আঞ্চলিক বৈঠক ও আলোচনা সভা হয়ে গেল। মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তি বিষয়ক এই আলোচনা সভায় এদিন কোলকাতা হাইকোর্টের “মেডিয়েশন অ্যান্ড কনসিলিয়েশন কমিটির তরফে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি তথা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং অপর প্রাক্তন বিচারপতি সৌমেন সেন। পুরুলিয়া জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রভবনের এদিনের সভায় পুরুলিয়া জেলা আদালতের সমস্ত বিচারপতি, পুরুলিয়া ও রঘুনাথপুর আদালতের বিশিষ্ট আইনজীবীরা ছাড়াও জেলাশাসক রজত নন্দা ও জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন। পুরুলিয়া জেলা আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তথা বিশিষ্ট আইনজীবী হিমাদ্রী চট্টোপাধ্যায় বলেন, যে কোন মোকদ্দমা বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ায় যাবার আগে সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার বাদী ও বিবাদী পক্ষের সহমতের ভিত্তিতে সেই মোকদ্দমা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার প্রক্রিয়া বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন সম্মানীয় অতিথিরা। হিমাদ্রী বাবু আরো বলেন, মূলত বিপুল সংখ্যক মোকদ্দমা নিষ্পত্তি বিহীন পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন। সেইসমস্ত লিটিগেশন কমাতেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্ত। মূলত আদালতের হস্তক্ষেপ ও তত্ত্বাবধানেই এইসব নিষ্পত্তিগুলি হয়ে থাকে। বিচারবিভাগীয় ব্যবস্থায় ঢোকার আগে বাদী ও বিবাদী পক্ষের সহমতের ভিত্তিতে আদালত নির্বাচিত ও নির্ধারিত মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি বিষয়ে কমিটি সুপারিশ করে। হিমাদ্রী বাবুর বক্তব্য, দীর্ঘ সময় ধরে এই নিয়ম লাগু থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন কম ছিল। সম্প্রতি নিয়মে কিছু সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে। সরকার ও আদালতও চাইছে বাস্তবে লাগু হোক এই নিয়ম। হিমাদ্রী চট্টোপাধ্যায় জানান, গোটা প্রক্রিয়ার বিশেষত্ব, আদালতে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন সহ বিষয়টির বিবিধ দিক নিয়ে বিস্তারে এদিন আলোচনা করেন হাইকোর্টের দুই প্রাক্তন বিচারপতি।

শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page