নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝালদা, বুধবার, ৩১ আগষ্ট ২০২২ঃ
অতিরিক্ত পনের দাবিতে প্রথমে গৃহবধূর ওপর শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন এবং পরে গর্ভবতী ওই গৃহবধূর পেটে স্বামীর বিরুদ্ধে লাথি মারার অভিযোগ উঠল ঝালদায়। রবিবার ঝালদা থানার কেড়োয়ারীর গৃহবধূ কালোমণি তন্তুবায় ঝালদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের গত মে মাসে কেড়োয়ারীর বাসিন্দা অশোক তন্তুবায়ের সঙ্গে বিয়ে হয় সরাইকেলার তিরুলডি থানার বাসিন্দা কালোমণি দেবীর। বিয়ের সময় ওই গৃহবধূর বাপের বাড়ির তরফে প্রায় এক লক্ষ টাকার দানসামগ্রী সহ নগদ ৫০ হাজার টাকাও দেয়। এরপরও বিয়ের পর থেকেই কালোমণি দেবীর উপর তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা অতিরিক্ত পনের দাবিতে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে বলে অভিযোগ। আরো অভিযোগ, কয়েকদিন আগে রাখি পূর্ণিমার দিন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ওই গৃহবধূকে মারধর করে এবং পরে তাঁর বাপের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসেন কালোমণি দেবীকে। চলতি মাসের ২৫ তারিখ কালোমণি দেবী বাপের বাড়ি থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ফোনের মাধ্যমে নিজের ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর দেন বলে জানা গিয়েছে। এই খবর পেয়েই স্বামী অশোক তন্তুবায় পরের দিন অর্থাৎ ২৬ তারিখ ওই গৃহবধূর বাপের বাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে বাচ্চা নষ্ট করতে বলেন বলে দাবি কালোমণি তন্তুবায়ের। সেকথায় রাজি না হওয়ায় তাঁর পেটে লাথি মারেন অশোক তন্তুবায় বলে অভিযোগ কালোমণি দেবীর। লাথির পর থেকেই তাঁর পেটে যন্ত্রণা শুরু হয় বলে দাবি গর্ভবতী গৃহবধূর। রবিবার স্বামী অশোক তন্তুবায় সহ শ্বশুর বাসুদেব তন্তুবায়, শাশুড়ি লক্ষীরাণি তন্তুবায় ও ননদ তিলকা তন্তুবায়ের বিরুদ্ধে ঝালদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কালোমণি তন্তুবায়।
শেয়ার করুন