নিজস্ব সংবাদদাতা, পুঞ্চা, বৃহস্পতিবার, ৪ আগষ্ট ২০২২ঃ
তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে কথা বলছেন। জেলাতে দলের নিচু তলার সংগঠন মজবুত করার উদ্দেশ্যেই বারবার ফোনে কথা বলছেন তিনি। এইভাবেই পুঞ্চা থানার বারোমেস্যা গ্রামের বাসিন্দা অংশুমান রায়ের সঙ্গে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসতে থাকে বারবার। পরে অংশুমান বাবুর স্ত্রীর চাকরির প্রতিশ্রুতি এবং গুগল পে-র মাধ্যমে অংশুমান রায়ের ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় ওই অচেনা নম্বরের কলার। মঙ্গলবার বারোমেস্যার অংশুমান রায় পুঞ্চা থানায় প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গিয়েছে, গত ৪ জুন অংশুমান রায়ের মোবাইলে রাত্রি প্রায় ৯ টা নাগাদ ওই অচেনা নম্বর থেকে প্রথম হোয়াটস অ্যাপ কল আসে। অংশুমান বাবুর দাবি, উল্টো দিক থেকে তাঁকে বলা হয়, “তৃণমূলের সর্বোচ্চ স্তর” থেকে কথা বলছেন ওই ব্যক্তি। দলের বুথ স্তরের সাংগঠন মজবুত করতেই নাকি কথা বলছেন তিনি, এমনও নাকি অংশুমান রায়কে ফোনে বলা হয় অন্যপ্রান্ত থেকে। অংশুমান বাবুর দাবি, এরপর ওই অচেনা নম্বর থেকে একই কথা বলে বারবার তাঁকে ফোন করা হতে থাকে। একসময় কথার প্যাঁচে জড়িয়ে অংশুমান রায়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকাও নেয় ওই ব্যক্তি বলে দাবি বারোমেস্যার অংশুমান রায়ের। অংশুমান বাবুর বক্তব্য, গত ৬ জুন গুগল পে-র মাধ্যমে এই ৫০ হাজার টাকা তিনি দেন। এমনকি অংশুমান বাবুর স্ত্রী বনশ্রী রায়ের চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই অচেনা নম্বরের ব্যক্তি বনশ্রী দেবীর বেশ কিছু জরুরি নথিও হোয়াটস অ্যাপ-এর মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। আরো অভিযোগ, গত ১৩ জুন পর্যন্ত ওই অচেনা নম্বরের কলার অংশুমান বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল। কিন্তু যখন সে বুঝতে পারে তার চালাকি অংশুমান বাবু ধরে ফেলেছেন, তখন থেকেই ওই নম্বর সুইচ অফ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ অংশুমান রায়ের। মঙ্গলবার অংশুমান বাবু পুঞ্চা থানার দ্বারস্থ হয়ে ওই অচেনা নম্বর উল্লেখ করে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
শেয়ার করুন