নিজস্ব সংবাদদাতা , পুরুলিয়া :
৪ মার্চ, ২০২১

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। জেলাতে প্রথম দফায় ২৭ মার্চেই নির্বাচন। আগামী ৯ মার্চ মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে ৪ ঠা মার্চ পর্যন্তও তৃণমূল-বিজেপি বা জোট পন্থীদের কেউই প্রার্থী ঘোষণা করে উঠতে পারে নি। অন্যদিকে ভোটের মুখেও দল-বদলের রেশ অব্যাহত জেলায়। বৃহস্পতিবার জেলা তৃণমূলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মাঝি যোগ দিলেন বিজেপিতে। বিজেপি সূত্রে দাবি, সুভাষ মাঝি সহ বলরামপুরের ঘাটবেড়া কেরোয়া অঞ্চলের প্রায় তিন শতাধিক তৃণমূল কর্মী এদিন বিজেপিতে যোগদান করেছেন। বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী বলেন, এই যোগদানের ফলে বলরামপুরে বিজেপির আরো শক্তি বৃদ্ধি হল। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, এতে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে কোন প্রভাব পড়বে না।

বিজেপিতে যোগদান করে সুভাষ মাঝি বলরামপুরের লাক্ষা ক্লাস্টারের কাজে অগ্রগতি না হওয়ার কারণ দেখিয়েছেন। প্রসঙ্গত ২০১৮ তে রাজ্য সরকার বলরামপুরের লাক্ষা শিল্পের উন্নয়নে ক্লাস্টার গড়ার প্রস্তাব দেয়। জমির চিহ্নিত করণও করা হয়। কাজের দ্রুত অগ্রগতির জন্যে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তবে ক্লাস্টার গড়ে ওঠে নি। বলরামপুর লাক্ষা ক্লাস্টার কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তৃণমূলের এই সাধারণ সম্পাদক নিজেই। বৃহস্পতিবার সুভাষ মাঝির দলত্যাগের প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র নবেন্দু মাহালি পরিস্কার জানিয়ে দেন, দলীয় পদে থাকলেও দলের সাংগঠনিক পরিসরে সুভাষ মাঝির তেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল না কোন দিনই। তাছাড়া নবেন্দু বাবুর আরো দাবি, রাজ্য সরকার তো বলরামপুরে ক্লাস্টার দ্রুত গড়ে তোলার বিষয়ে কমিটি গঠনও করে দিয়েছিল, এমনকি সেই কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তো সুভাষবাবু নিজেই ছিলেন। তাহলে ওনারা এতদিন নিজেরাই কিছু করেন নি কেন? নবেন্দু বাবুর প্রশ্ন, উনি তো এ বিষয়ে ওনার অভিযোগ আগেই জানাতে পারতেন। নবেন্দু মাহালির দাবি সুভাষ মাঝির দলত্যাগে বলরামপুরে তৃণমূলের সংগঠনে কোন প্রভাবই ফেলতে পারবে না ।

শেয়ার করুন

You cannot copy content of this page